“চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দর থেকেই তাদের কর্মীরা আমাদের সাথে ছিলেন। মিনা ও আরাফাতের ময়দানে তীব্র গরমেও মুয়াল্লিমদের সার্বক্ষণিক দিকনির্দেশনা আমাদের ইবাদতকে প্রশান্তিময় করেছে।”
আলহাজ্ব হাফিজুর রহমান

সারা বাংলাদেশ থেকে আল-মারচুচ ইন্টারন্যাশনালের সাথে পবিত্র হজ ও ওমরা সম্পন্নকারী সম্মানিত হাজিদের সত্যনিষ্ঠ পর্যালোচনা।
“চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দর থেকেই তাদের কর্মীরা আমাদের সাথে ছিলেন। মিনা ও আরাফাতের ময়দানে তীব্র গরমেও মুয়াল্লিমদের সার্বক্ষণিক দিকনির্দেশনা আমাদের ইবাদতকে প্রশান্তিময় করেছে।”
আলহাজ্ব হাফিজুর রহমান
“আমার সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধা শাশুড়ির জন্য মাতাফে হুইলচেয়ারের তাৎক্ষণিক বন্দোবস্ত করে দিয়েছিলেন আল-মারচুচ ইন্টারন্যাশনালের কর্মীরা। হারাম শরিফের খুব কাছের হোটেল হওয়ায় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করা সম্ভব হয়েছে।”
আয়েশা সিদ্দিকা
“জেদ্দা এয়ারপোর্টের টার্মিনাল থেকে বের হয়ে লাগেজ খোঁজাখুঁজি করতে হয়নি, সরাসরি মক্কার হোটেল রুমে ব্যাগ পৌঁছে গিয়েছে। দেশীয় স্বাদের খাঁটি বাংলা খাবার আমাদের পুরো হজ সফরে সুস্থ ও সতেজ রেখেছিল।”
মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন
“রমজানের শেষ দশকে ইফতার ও তাহাজ্জুদের পরিবেশ ছিল চমৎকার। মদিনার ঐতিহাসিক স্থানগুলোতে নির্দেশিত জিয়ারত আমাদের অন্তরে গভীর ছাপ ফেলেছে, মুয়াল্লিমের আলোচনায় পুরো পরিবারের চোখ ভিজে উঠেছিল।”
তারিকুল ইসলাম
“হারামাইন হাই-স্পিড বুলেট ট্রেনে মক্কা থেকে মদিনার ৩ ঘণ্টার আরামদায়ক সফর এবং ক্লক টাওয়ারের লাগোয়া ৫-স্টার হোটেল সবকিছুই প্রতিশ্রুতির সাথে হুবহু মিলেছে। কোনো প্রশাসনিক দুশ্চিন্তা ছাড়াই হজের প্রতিটি রোকন পালন করতে পেরেছি।”
অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান
“আমার দুই ছোট বাচ্চাকে নিয়ে প্রথমবার ওমরায় যাওয়া নিয়ে বেশ শঙ্কায় ছিলাম। কিন্তু তাওয়াফ ও সাঈর ভিড়ে আল-মারচুচ ইন্টারন্যাশনালের ভলান্টিয়াররা যেভাবে আমাদের নিরাপত্তা ও খেদমত দিয়েছেন, তা সত্যিই ভোলার মতো নয়।”
ড. তাহমিনা চৌধুরী
“আরাফাতের ময়দানে তীব্র গরমেও তাঁবুতে এয়ারকন্ডিশন ও ঠান্ডা পানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ছিল। চট্টগ্রামের স্থানীয় মুয়াল্লিমরা প্রতিটি হাজিকে নাম ধরে ডেকে দোয়ার সময় সাথে রেখেছিলেন।”
আলহাজ্ব নূরুল ইসলাম চৌধুরী
“আমার পঁচাত্তর বছর বয়সী আম্মার হাঁটাচলা করতে কষ্ট হতো। মক্কা ও মদিনা দুই জায়গাতেই আল-মারচুচ ইন্টারন্যাশনালের তরুণ কর্মীরা হুইলচেয়ার ঠেলে তাওয়াফ ও সাঈ সম্পন্ন করিয়ে দিয়েছেন।”
ফাতেমা বেগম
“চট্টগ্রাম শাহ আমানত থেকে সরাসরি ফ্লাইট এবং কোনো লুকানো খরচ ছাড়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ হিসাব। মিনার তাঁবুতে সোফাবেড ও খাবারের পরিবেশন ছিল কথামতো একদম নিখুঁত।”
কামরুল হাসান
“নারী গ্রুপের জন্য আলাদা মহিলা গাইড ও নিরাপত্তার চমৎকার ব্যবস্থা ছিল। মদিনার জিয়ারত বাস সকাল সকাল ছাড়লে সাইয়্যিদুশ শুহাদায় আরেকটু সময় পাওয়া যেত, তবে সেবার মান সামগ্রিকভাবে খুব ভালো ছিল।”
সালমা আক্তার
“জেদ্দা বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন শেষে কোনো লাগেজ টানতে হয়নি, বাসে ওঠার পরই আমাদের ব্যাগ সরাসরি মক্কার রুমে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। প্রথমবার হজে এসে এত প্রশান্তি আশা করিনি।”
আব্দুল মালেক
“রমজানের শেষ দশকে হারাম শরিফে লাখো মানুষের ভিড়েও আমাদের হোটেল ছিল মাত্র তিন মিনিটের হাঁটা দূরত্বে। সাহরি ও ইফতারে সুস্বাদু গরম দেশীয় খাবার মন ভরিয়ে দিয়েছে।”
সেলিনা জাহান
“হারামাইন বুলেট ট্রেনে বিজনেস ক্লাসে মক্কা থেকে মদিনা সফর ছিল ভীষণ স্বস্তিদায়ক। মক্কার ক্লক টাওয়ারের ফেয়ারমন্ট হোটেলে আবাসন ও ব্যক্তিগত এসইউভি গাড়ির ব্যবস্থাপনা ছিল আন্তর্জাতিক মানের।”
ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদুল করিম
“আমার চার ও সাত বছরের দুই সন্তানকে নিয়ে ওমরায় যাওয়া বেশ কঠিন মনে হয়েছিল। কিন্তু আল-মারচুচ ইন্টারন্যাশনালের কর্মীরা বাচ্চাদের সাথে নিয়ে বাসে ওঠা-নামা ও তাওয়াফের সময় যেভাবে আগলে রেখেছিলেন, তা চিরকাল মনে থাকবে।”
তাসলিমা নাসরিন
“আলেম হিসেবে হজের প্রতিটি আহকাম ও সুন্নতের সূক্ষ্ম অনুসরণে আমি সতর্ক ছিলাম। আল-মারচুচ ইন্টারন্যাশনালের বিজ্ঞ মুয়াল্লিমদের শরীয়তসম্মত তালীম ও সার্বক্ষণিক রাহবারী দেখে আমি অন্তরে পূর্ণ তৃপ্তি পেয়েছি।”
মাওলানা মুফতি এনামুল হক
“মদিনায় মসজিদে নববীর ১ নম্বর গেটের কাছে হোটেল হওয়ায় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করা সহজ হয়েছে। সকালের নাস্তায় দেশীয় পদের সংখ্যা আরেকটু বাড়ালে আরো ভালো হতো, তবে দুপুরের ও রাতের খাবার দারুণ ছিল।”
কাজী রফিকুল ইসলাম
“মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন ও পাথর সংগ্রহের সময় আল-মারচুচ ইন্টারন্যাশনালের ভলান্টিয়াররা প্রতিটি হাজিকে ছায়ার মতো সাথে রেখেছিলেন। প্রবীণদের পানি ও হালকা খাবার বিতরণে তাদের নিষ্ঠা ছিল প্রশংসনীয়।”
মোজাম্মেল হক
“মক্কা ও মদিনা দুই পবিত্র শহরেই আন্তর্জাতিক মানের পরিচ্ছন্ন হোটেল পেয়েছি। সার্বক্ষণিক বাংলাভাষী প্রতিনিধি থাকায় কোনো ভাষাগত জটিলতায় পড়তে হয়নি।”
জান্নাতুল ফেরদৌস
“মহামারীর পরবর্তী কঠোর সরকারি নিয়মের মধ্যেও আল-মারচুচ ইন্টারন্যাশনাল নুসুক পারমিট, বায়োমেট্রিক ও ভ্যাকসিন কার্ডের সব প্রক্রিয়া নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করেছিল। কোনো বিভ্রান্তি ছাড়াই হজ পালন করতে পেরেছি।”
আলহাজ্ব শফিউল আলম
“পরিবারের সবাইকে নিয়ে এটি আল-মারচুচ ইন্টারন্যাশনালের সাথে আমাদের দ্বিতীয় ওমরা সফর। আগের বারের মতোই তাদের যত্নশীল খেদমত, মানসম্মত খাবার ও নির্ভরযোগ্য হোটেল নিশ্চিত ছিল।”
নাসরিন আক্তার বানু
“তরুণদের জন্য ঐতিহাসিক স্থানসমূহের তথ্যবহুল জিয়ারত ও মুয়াল্লিমের আলোচনা ছিল খুবই অনুপ্রেরণাদায়ী। মক্কার বাস কিছুটা জ্যামে পড়েছিল, তবে গাইডরা সার্বক্ষণিক তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন।”
শাহেদ বিন ইউসুফ
“জামারাতে পাথর নিক্ষেপের সঠিক সময় ও নিরাপদ পথ প্রদর্শনে আল-মারচুচ ইন্টারন্যাশনালের অভিজ্ঞ মুয়াল্লিমরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। প্রচণ্ড ভিড়ের চাপ এড়িয়ে বয়স্কদের নিয়ে নিরাপদে পাথর মেরে তাঁবুতে ফিরেছি।”
আলহাজ্ব দেলোয়ার হোসেন
“মদিনায় রওজা শরিফে প্রবেশের নুসুক অ্যাপের পারমিট ও মহিলা গেটের সময়সূচি তারা সুশৃঙ্খলভাবে সমন্বয় করেছিলেন। কোনো হুড়োহুড়ি ছাড়াই শান্তিতে রওজায় সালাম পেশ করতে পেরেছি।”
রোকেয়া সুলতানা
“দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল কোনো অপ্রয়োজনীয় ঝামেলা ছাড়া কেবল ইবাদতে মনোনিবেশ করে হজ করার। আল-মারচুচ ইন্টারন্যাশনালের শৃংখলা ও নিবেদিত সাপোর্ট টিম আমার এই সফরকে জীবনের সবচেয়ে তৃপ্তিদায়ক ইবাদত বানিয়ে দিয়েছে।”
প্রফেসর ড. হারুনুর রশীদ
“মিনার তাঁবুতে এয়ারকুলার ও খাবার সরবরাহ ভালো ছিল। মুজদালিফা থেকে মিনা আসার পথে কিছুটা ট্রাফিক জ্যামে সময় লেগেছিল, তবে কর্মীদের আন্তরিক সহযোগিতা ছিল প্রশংসনীয়।”
মীর আশরাফুল আলম
“প্রথমবারের মতো ওমরায় যাওয়ায় অনেক বিষয়ে সংশয় ছিল। দেশ ছাড়ার আগে আল-মারচুচ ইন্টারন্যাশনালের কর্মশালায় ইহরাম বাঁধা থেকে শুরু করে প্রতিটি দোয়ার বাস্তব প্রশিক্ষণ আমাদের অনেক সাহস যুগিয়েছিল।”
ফারজানা আক্তার
“আরাফাতের ময়দানে প্রখর রোদের মাঝেও তাঁবুর ভেতরের শীতল পরিবেশ ও বরফ-পানির ব্যবস্থা আমাদের মতো বয়স্ক হাজিদের জন্য পরম রহমত ছিল। প্রতিটি কর্মীর আচরণে ছিল শ্রদ্ধা ও মমতা।”
আলহাজ্ব গোলাম কিবরিয়া
“ফ্লাইটের সিডিউল ও রিটার্ন লাগেজ হ্যান্ডলিং খুব মসৃণ ছিল। হোটেল লিফটের জন্য পিক আওয়ারে সামান্য অপেক্ষা করতে হয়েছিল, তবে কাবা শরিফের কাছে হওয়ায় দিনে একাধিকবার তাওয়াফ করতে পেরেছি।”
লায়লা ইয়াসমিন
“মক্কা ও মদিনায় প্রতিদিনের তাজা ও মানসম্মত দেশীয় খাবারের বন্দোবস্ত আমাদের দীর্ঘ সফরে সুস্থ ও কর্মক্ষম রেখেছিল। মসলা কম দিয়ে রান্না করা পুষ্টিকর খাবার প্রবীণদের দারুণ পছন্দ হয়েছে।”
আরিফুর রহমান
“ওমরা যাত্রার প্রতিটি ধাপে তাদের সময়ানুবর্তিতা ছিল লক্ষণীয়। মদিনা থেকে মক্কায় আসার বাসে ইহরাম ও নিয়তের তালবিয়া পাঠের দিকনির্দেশনায় পুরো বাসের পরিবেশ রুহানি হয়ে উঠেছিল।”
রেজওয়ানা করিম
“আমার পরিবারের তিন সদস্যকে নিয়ে আল-মারচুচ ইন্টারন্যাশনালের সাথে হজ করেছি। এজেন্সির বিশ্বস্ততা ও আতিথেয়তায় আমরা এত মুগ্ধ যে আত্মীয়স্বজন সবাইকে তাদের কথাই পরামর্শ দিয়ে থাকি।”
আলহাজ্ব আবুল বাশার
“রমজানের শেষ দশকে ইফতার ও সাহরির আয়োজন ছিল চমৎকার। মক্কার হোটেল রুমের জানালা দিয়ে সরাসরি কাবা শরিফের মিনার দেখার দৃশ্য ছিল জীবনের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত।”
নুসরাত জাহান চৌধুরী
“মসজিদে কুবা ও উহুদের ময়দানে জিয়ারতের চমৎকার ব্যবস্থা ছিল। আবহাওয়া গরম হওয়ায় জিয়ারতের সময় কিছুটা সংক্ষিপ্ত করতে হয়েছিল, তবে মুয়াল্লিমের বর্ণনা ছিল অত্যন্ত আবেগঘন ও শিক্ষণীয়।”
জুবায়ের আহমেদ
“আল-মারচুচ ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোরশেদুল আলম ভাই মিনা ও আরাফাতে নিজে উপস্থিত থেকে প্রতিটি তাঁবুর হাজিদের খোঁজখবর নিয়েছেন। এই ব্যক্তিগত তত্ত্বাবধান আমাদের আস্থাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল।”
আলহাজ্ব মোস্তফা কামাল
“ক্লক টাওয়ারের প্রিমিয়াম হোটেলে আবাসন এবং জেদ্দা থেকে মক্কা ব্যক্তিগত প্রাইভেট কারের যাতায়াত আমাদের ওমরা সফরকে সম্পূর্ণ ঝামেলামুক্ত ও প্রশান্তিময় করেছে।”
শাহনাজ পারভীন
“আরাফাত ও মিনার তাঁবুর বন্দোবস্ত সুশৃঙ্খল ছিল। মুজদালিফায় রাতে পানির বোতল বিতরণে সামান্য দেরি হলেও কর্মীরা খুব দ্রুত পরিস্থিতি সামলে নিয়েছিলেন। গাইডদের নিষ্ঠা ছিল অটুট।”
মনজুরুল আলম
“দলের সাথে সার্বক্ষণিক অভিজ্ঞ চিকিৎসকের উপস্থিতি এবং প্রয়োজনীয় ওষুধের মজুত প্রবীণ হাজিদের স্বাস্থ্যের জন্য পরম নির্ভরতা ছিল। অসুস্থ হাজিদের সেবা তারা পরম মমতায় দিয়েছেন।”
ড. সৈয়দ আনোয়ারুল করিম
“এয়ারপোর্টে ভিআইপি মিট অ্যান্ড গ্রিট সুবিধা এবং লাগেজ ক্লিয়ারেন্স থেকে শুরু করে মক্কার হোটেলে চেক-ইন সবকিছুই অত্যন্ত দ্রুত ও মার্জিতভাবে সম্পন্ন হয়েছে।”
ফারহা দিবা
“দূর সীমান্ত এলাকা থেকে এসেও কোনো হয়রানির মুখে পড়তে হয়নি। চট্টগ্রাম অফিস থেকে পাসপোর্ট জমা দেওয়া থেকে শুরু করে হজ শেষ করে বাড়ি ফেরা পর্যন্ত আল-মারচুচ ইন্টারন্যাশনাল অভিভাবকের মতো পথ দেখিয়েছে।”
হাজী মোহাম্মদ সেলিম
“মক্কার হোটেলের অবস্থান ছিল কাবা শরিফের খুব কাছে। রুম সার্ভিসের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা একটু দেরি করলেও ফ্রন্ট ডেস্কের বাংলাভাষী ভাইয়েরা তৎক্ষণাৎ সমাধান করে দিয়েছেন।”
সাজেদা আক্তার
“মিনার তাঁবুতে এয়ারকন্ডিশন ও আরামদায়ক সোফাবেডের ব্যবস্থা থাকায় তীব্র গরমেও আমরা ইবাদতের পর সুন্দর বিশ্রাম নিতে পেরেছি। প্রতিটি বেলার খাবার সময়মতো পৌঁছেছে।”
আনোয়ার হোসেন
“ভিসা প্রসেসিংয়ের দ্রুততা এবং সাউদিয়া এয়ারলাইন্সের কনফার্ম টিকিটের ব্যবস্থা করায় কোনো অনিশ্চয়তায় পড়তে হয়নি। পুরো দলের জন্য সময়মতো সব প্রস্তুত ছিল।”
তাহমিনা হক
“আল-মারচুচ ইন্টারন্যাশনালের সাথে হজে গিয়ে মনে হয়েছে নিজের পরিবারের সদস্যদের সাথে সফরে আছি। মুয়াল্লিমদের নম্রতা ও আল্লাহর মেহমানদের প্রতি শ্রদ্ধা সত্যিই মন ছুঁয়ে যায়।”
আলহাজ্ব একরামুল হক
“মদিনায় মসজিদে নববীতে ইতিকাফে বসার জন্য তারা সব নিয়ম মেনে পারমিট পেতে সাহায্য করেছিলেন। শেষ দশকে ইবাদতের এমন শান্তিময় সুযোগ জীবনে প্রথম পেলাম।”
মেহেরুন নেসা
“পুরো সফরের প্রতিটি ফ্লাইট ও বাসের সময়সূচি যথাযথ মেনে চলা হয়েছে। এয়ারপোর্টে লাগেজ বেল্টে কিছুটা অপেক্ষা করতে হলেও এজেন্সির প্রতিনিধিরা বাইরে ট্রলি নিয়ে প্রস্তুত ছিলেন।”
সিরাজুল ইসলাম
“মক্কার জাবালে নূর ও জাবালে সাওরে অভিজ্ঞ মুয়াল্লিমের সাথে জিয়ারত ছিল দারুণ শিক্ষণীয়। ইসলামের শুরুর দিনের ত্যাগ ও ইতিহাসের প্রাঞ্জল বর্ণনা শুনে সবার চোখে পানি এসেছিল।”
শায়লা পারভীন
“এজেন্সির সততা যাচাই করাই ছিল আমার প্রধান লক্ষ্য। চুক্তিতে থাকা প্রতিটি হোটেল, খাবার ও পরিবহনের অঙ্গীকার তারা অক্ষরে অক্ষরে পূরণ করে আমাদের পূর্ণ আস্থা অর্জন করেছে।”
আলহাজ্ব ফয়েজ আহমেদ
“মদিনায় বদরের প্রান্তর ও মসজিদে কিবলাতাইন জিয়ারত মনের তৃপ্তি দিয়েছে। দুপুরের তীব্র রোদের কারণে জিয়ারতের সময় কিছুটা আগে শুরু করলে আরো স্বস্তি পাওয়া যেত, সেবার মান খুবই উঁচু ছিল।”
আয়েশা খাতুন
“হজ শেষে মদিনায় আট দিন অবস্থানের সময় কোনো অতিরিক্ত তাড়াহুড়ো ছিল না। শান্ত মনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় ও বারবার রওজায় সালাম পেশ করতে পেরেছি।”
এম এ হালিম
“ঢাকা এয়ারপোর্টে বিশেষ চেক-ইন সহায়তা এবং জেদ্দায় নেমে সরাসরি গাইডদের উপস্থিতি আমাদের পুরো সফরকে অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক করেছে।”
নাজমুন নাহার
“মক্কায় হারাম শরিফের খুব কাছে হোটেল হওয়ায় এবং দ্রুতগতির একাধিক লিফট থাকায় বয়স্ক হাজিদের জন্য নামাজে যাওয়া-আসা অনেক সহজ ছিল। ক্লান্তিহীনভাবে সব ওয়াক্ত নামাজ পড়েছি।”
আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান
“সন্দ্বীপের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে এসে ঢাকা বিমানবন্দরে যুক্ত হয়েছিলাম। ঢাকার ট্রানজিটে সামান্য বিলম্ব হলেও জেদ্দায় নেমে হোটেল পৌঁছানো পর্যন্ত সব ব্যবস্থাপনা ছিল ত্রুটিহীন।”
শামসুন্নাহার বেগম
“মিনার তাঁবু থেকে জামারাতের দূরত্বের সঠিক পথ নির্দেশনা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণের সময়সূচি মেনে চলা হাজিদের চরম শারীরিক কষ্ট থেকে রক্ষা করেছে। দল বেঁধে নিরাপদে সব রোকন শেষ করেছি।”
তারেক বিন মোস্তফা
“নারী হাজিদের জন্য অভিজ্ঞ মহিলা গাইডের মাধ্যমে তাওয়াফ ও সাঈর নিয়মাবলি হাতে-কলমে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যা প্রথমবার আসা নারীদের মনে গভীর আত্মবিশ্বাস এনে দিয়েছিল।”
আফরোজা সুলতানা
“আরাফাত থেকে মুজদালিফায় যাত্রার সময় ভিড়ের মধ্যেও দলের শৃঙ্খলা বজায় ছিল। রাতের খাবার বিতরণের সময় সামান্য বিশৃঙ্খলা হলেও দলের নেতারা দ্রুত তা সুষমভাবে বণ্টন করেন।”
আলহাজ্ব শওকত আলী
“আমার শাশুড়ি ও দুই ননদকে নিয়ে ওমরায় গিয়েছিলাম। মক্কার হোটেলের নিরাপত্তা ও ঘরের মতো আরামদায়ক পরিবেশ আমাদের পুরো পরিবারের ওমরাকে অত্যন্ত আনন্দময় ও বরকতময় করেছে।”
বিলকিস জাহান
“যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরে আল-মারচুচ ইন্টারন্যাশনালের সাথে হজে যুক্ত হয়েছিলাম। তাদের সময়ানুবর্তিতা, সার্বক্ষণিক হেল্পলাইন ও ব্যবস্থাপনা ব্রিটিশ স্ট্যান্ডার্ডের সাথে সমান তালে পাল্লা দেওয়ার মতো।”
আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন চৌধুরী
“মক্কার হোটেলে ওয়াইফাই ও লিফট সুবিধা সন্তোষজনক ছিল। জুমার নামাজের দিনে হারাম শরিফের গেটের কাছে অতিরিক্ত ভিড় থাকায় গাইডরা বিকল্প শান্ত পথ দিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন।”
রাবেয়া বসরী
“মিনা ও আরাফাতে উন্নত তাঁবু, বিশেষ লাগেজ ট্র্যাকিং ও সার্বক্ষণিক অভিজ্ঞ গাইড সাপোর্ট পুরো হজ প্রক্রিয়াকে নির্ঝঞ্ঝাট ও আধ্যাত্মিকভাবে পরিপূর্ণ করেছে।”
ইঞ্জিনিয়ার মোস্তাক আহমেদ
“বয়স্ক হাজিদের প্রতি আল-মারচুচ ইন্টারন্যাশনালের তরুণ ভলান্টিয়ারদের আন্তরিক সেবা ও ওজু করিয়ে দেওয়া দেখে চোখের পানি চলে এসেছিল। আল্লাহ তাদের এই খেদমত কবুল করুন।”
তাহেরা খানম
“আল-মারচুচ ইন্টারন্যাশনাল কেবল একটি এজেন্সি নয়, তারা প্রতিটি হাজিকে নিজের আত্মীয়ের মতো সম্মান ও মর্যাদা দিয়ে আল্লাহর মেহমান হিসেবে সেবা প্রদান করে। তাদের সততা অতুলনীয়।”
আলহাজ্ব মাহবুবুল হক