আল-মারচুচ ইন্টারন্যাশনাল

রিফান্ড পলিসি

নীতি নথি · অফিসিয়াল শর্তাবলি

রিফান্ড ও বাতিলকরণে আমাদের নীতি

আমরা বুকিং বাতিল ও রিফান্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আপনার সুবিধার জন্য আমাদের রিফান্ড নীতিমালা নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো।

১. বুকিং বাতিলকরণ ও নিয়ম

সংক্ষিপ্তসার: বাতিল করতে হলে লিখিতভাবে জানাতে হবে। সময়ের ওপর ভিত্তি করে চার্জ কাটা হবে।

যেকোনো হজ বা ওমরা প্যাকেজ বাতিল করার জন্য অবশ্যই লিখিতভাবে জানাতে হবে। যাত্রার কতদিন আগে বাতিল করা হয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে জরিমানা নির্ধারণ করা হয়।

২. ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯

সংক্ষিপ্তসার: ভোক্তা অধিকার আইন অনুযায়ী আপনার ন্যায্য পাওনা সুরক্ষিত।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর আলোকে আমরা সেবার মান ও আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করি। আমাদের রিফান্ড প্রক্রিয়া এই আইনের বিধানাবলির সাথে সম্পূর্ণরূপে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

৩. নন-রিফান্ডেবল খাতসমূহ

সংক্ষিপ্তসার: ভিসা প্রসেসিং, এমবাসি ফি এবং বায়োমেট্রিক ফি ফেরতযোগ্য নয়।

এমবাসি ফি, বায়োমেট্রিক ফি, এবং প্রসেসিং ফি-এর মতো কিছু খাত সম্পূর্ণ নন-রিফান্ডেবল। বিস্তারিত পেমেন্ট শিডিউলে তা উল্লেখ থাকে।

৪. অভিযোগ ও ডিএনসিআরপি (DNCRP) এসকেলেশন

সংক্ষিপ্তসার: সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ হলে আপনি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে (DNCRP) অভিযোগ করতে পারেন।

যেকোনো রিফান্ড সংক্রান্ত বিষয়ে প্রথমে আমাদের কাস্টমার সাপোর্টের সাথে যোগাযোগ করুন। যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে, গ্রাহক জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে (DNCRP) অভিযোগ দায়ের করতে পারেন।

৫. প্রক্রিয়াকরণের সময়

সংক্ষিপ্তসার: রিফান্ড পেতে ১০-১৫ কার্যদিবস সময় লাগে।

রিফান্ড অনুমোদিত হলে তা আপনার অ্যাকাউন্টে পৌঁছাতে সাধারণত ১০-১৫ কার্যদিবস সময় লাগতে পারে। আমরা প্রক্রিয়াটি দ্রুত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।

প্রশ্ন আছে?

শর্তাবলি বা বুকিং নিয়ে জানতে চাইলে আমাদের টিমের সাথে কথা বলুন।